পুজোর ক’দিন ‘ফাস্ট-ফুড’ না ট্র্যাডিশনাল খাবার? কলকাতার বনেদি বাড়িগুলিতে পুজোর দিনগুলোয় এখনও কিন্তু রান্না হয় চিরাচরিত মতে৷ আনন্দ উৎসবে এবারের ‘ভালমন্দর থালি’-তে সেই পুরাতনী সম্ভার৷
ভাল-মন্দ
বিশেষ রচনা
উৎসব আমিষে নিরামিষে
গোপা মুখার্জী
কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর ‘সাধের আসন’ কবিতাটি ঠাকুরবাড়িকে এতটাই অনুপ্রেরণা জুগেয়েছিল যে রবীন্দ্রনাথের নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী একটি আসন বুনেছিল ‘সাধের আসন’ নকশা করে। ভোজনরসিক বাঙালির কাছে কাঁসার ঝকঝকে বাসনে পঞ্চব্যঞ্জনের মতো আসনেরও একটা বিশেষ স্থান ছিল, আজও সেই তরিবত্ করে রান্নার ধারায় এতটুকুও ভাটা পড়েনি বাঙালির। নস্টালজিক লাগছে? যদি ফিরে যাওয়া যেত সেকেলের বনেদি বাড়ির রান্নাঘরে? উৎসবের খাওয়াদাওয়ায়?
বিজয়ার পর মিষ্টিমুখ না করলে পুজোর আনন্দটাই মাটি৷ আর সেই মিষ্টি যদি ঘরেই তৈরি হয়? অসম্ভব নয় মোটেও, কারণ সনাতনী মিষ্টির রেসিপি সাজানো রয়েছে এই বিভাগে৷